নববর্ষে নবসূর্যে নব দিগন্ত আলোকিত হোক। জগতের সকল সৃষ্টির মঙ্গল কামনায় উৎসর্গিত নববর্ষ পূজন। ঘরে ঘরে নানা দেব দেবীর আবাহন বিশেষতঃ শ্রীগণেশ লক্ষ্মীদেবীর। প্রখর তপন তাপ থেকে রক্ষার জন্য বৃক্ষপূজা—তুলসী অশ্বত্থ শিবলিঙ্গে মাটির ঘটে জল বিন্দু সিক্ত যা আধুনিক দৃষ্টিকোণেও ব্যবহার হয় বিন্দু সেচ রূপে—জল সংরক্ষণের জন্য।

​বৈশাখ মাসে নানা ফল ফুলের বাগান তপন বিশেষতঃ আম কাঁঠাল লিচু জাম আমলকী সবার লোভনীয়। ঘরে ঘরে এবং শীর্ষে নববর্ষে ধ্বজা রোপণ হয় শ্রীরামকৃষ্ণ শ্রীহনুমান ধ্বজা রূপে। দেবতার প্রসাদে যবের ছাতু বিশেষ স্থান লাভ করে—প্রাচীন শস্য হিসাবে যবের মত।

​বৈশাখ মাস শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভু প্রচারিত শ্রীহরিনাম সংকীর্তন গানে মুখরিত হয় বাংলার আকাশে। এই মাসে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের জন্মমাস হওয়ায় রবীন্দ্রসঙ্গীত মুখরিত হয় বাংলার আকাশে বাতাসে। ঘটস্থাপন জলদান এ মাসে এক মহৎ কর্ম তৃষ্ণার্ত প্রাণীদের প্রাণ রক্ষায়। ব্যবসায়ীদের নতুন খাতা মহরত হয় হিসাবের বর্ষ হিসাবে। নববস্ত্র পরিধান এই উৎসবের আবশ্যিক অঙ্গ। পথে ঘাটে পুণ্য কর্মীগণ শীতল জল ছোলা গুড় এবং তৃষ্ণার্তদের তৃপ্ত নিবারণ জন্য জলসত্র আয়োজন করেন। পত্র পত্রিকায় সাহিত্য কীর্তিতে নববর্ষের রাশিফল নক্ষত্রফল পাঠ সকলের কৌতূহল নিবারণ করেন।

​সকলে নববর্ষের শুভকামনা রইল।